Home / ধর্ষনের খবর / এমসি কলেজে তরু’ণীর সাথে যা ঘ’টেছিল সেদিন!

এমসি কলেজে তরু’ণীর সাথে যা ঘ’টেছিল সেদিন!

তু’লে নেওয়ার পর ধ’র্ষ’ণ, ছাত্রলীগের নয়জন কর্মী এই কা’ণ্ড ঘ’টিয়েছে বলে অ’ভিযোগ উ’ঠেছে। মা’মলার পর তাদের খুঁ’জতে নেমেছে পু’লিশ। ঘ’টনাটি ঘ’টেছে শুক্রবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে টিলাগড় এলাকার কলেজটিতে। ওই তরু’ণীকে ক্যাম্পাস থেকে তু’লে ছাত্রাবাসে নিয়ে ধ’র্ষ’ণ ক’রা হয় বলে ‍পু’লিশ জানিয়েছে।

এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধ’র্ষ’ণের এই ঘ’টনায় সাতজনের বি’রুদ্ধে অ’ভিযোগ উ’ঠেছে, তারা সবাই ছাত্রলীগের কর্মী। এর মধ্যে সাইফুর রহমান নামে একজনের কক্ষ থেকে অ’স্ত্র উ’দ্ধার করেছে পু’লিশ।

শনিবার ভোর রাতে ওই ছাত্রাবাসে সাইফুরের কক্ষ থেকে একটি পাইপগা’ন, চারটি রা’ম’দা, একটি ছু’রি ও দুটি লোহার পাইপ উ’দ্ধার করে বলে শাহপরাণ থা’নার ওসি আব্দুল কাইয়ুম চৌধুরী জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, “রাতে এমসি কলেজের ছাত্রাবাসে অ’ভিযান চালিয়ে অ’ভিযুক্ত সাইফুর রহমানের কক্ষ থেকে এসব অ’স্ত্র উ’দ্ধার করা হয়েছে। এ ঘ’টনায় অ’স্ত্র মা’মলা দা’য়েরের প্রস্তুতি চলছে।”

এছাড়া কলেজের ইংরেজি বিভাগের মাস্টার্সের ছাত্র শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, মাহফুজুর রহমান মাছুম, অ’র্জুন, রাজন আহমদ এবং বহিরাগত ছাত্রলীগ কর্মী রবিউল এবং তারেক আহমদ এই ঘ’টনায় জ’ড়িত বলে নাম এসেছে পু’লিশের কাছে।

তাদের মধ্যে সাইফুর রহমানের গ্রামের বাড়ি বালাগঞ্জে, রবিউলের বাড়ি সুনামগঞ্জ জে’লার দিরাই উপজে’লায়, মাহফুজুর রহমান মাছুমের বাড়ি সিলেট সদর উপজে’লায়, অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জে, রনির বাড়ি হবিগঞ্জে এবং তারেক সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজে’লার বাসিন্দা।

শনিবার সকালে ধ’র্ষি’ত গৃহবধুর স্বামী বা’দী হয়ে শাহপরাণ থা’নায় মা’মলা করেছেন বলে জানিয়েছেন ওসি কাইয়ুম। তিনি বলেন, “মা’মলায় ছাত্রলীগকর্মী সাইফুর রহমানকে প্র’ধান আ’সামি করে ছয়জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। অ’জ্ঞাতনামা আরও তিনজনকে আ’সামি করা হয়েছে।”

সিলেট মহানগর পু’লিশের অতিরিক্ত উপ-কমিশনার জ্যোতির্ময় সরকার বলেন, “ওই নববধূ তার স্বামীর সঙ্গে এমসি কলেজে ঘুরতে আসেন। এক পর্যায়ে তার স্বামী সি’গারেট খাওয়ার জন্য কলেজের গেইটের বাইরে বের হন।

“এসময় ৬/৭ জন যুবক তরু’ণীকে জো’রপূর্বক তু’লে নিয়ে নিয়ে এমসি কলেজ ছাত্রাবাস এলাকায় নিয়ে গিয়ে ধ’র্ষ’ণ করে।” এসময় তার স্বামী প্রতিবা’দ করলে তাকে মা’রধ’র করা হয় বলে জানান এই পু’লিশ কর্মক’র্তা।

খবর পেয়ে পু’লিশ রাত সাড়ে ১০টার দিকে ওই তরু’ণীকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রা’ইসিস সেন্টারে ভর্তি করছে। পু’লিশ দু’র্বৃত্তদের ধ’রতে অ’ভিযান শুরু করেছে বলে জানিয়েছেন পু’লিশ কর্মক’র্তা জ্যোতির্ময় সরকার।

এদিকে হাসপাতালে চিকিৎ’সাধীন তরু’ণী আ’শঙ্কামু’ক্ত বলে জানিয়েছেন হাসাপাতালের উপ-পরিচালক ডা. হিমাংশু লাল রায়। তিনি বলেন, “গাইনি বিভাগের একজন অধ্যাপকের তত্ত্বাবধানে ওই গৃহবধূর চিকিৎ’সা চলছে। তিনি শারীরিকভাবে এখন অনেকটা সুস্থ।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *